লগ আউট
Are you sure you want to exist?
MTrading Team • আজ

BoE-র “Super Thursday”-তে GBPUSD-এর টানা পাঁচ দিনের উত্থান; শুল্ক ও Fed-কে ঘিরে উদ্বেগের মধ্যে মার্কিন ডলারের দর কমেছে

BoE-র “Super Thursday”-তে GBPUSD-এর টানা পাঁচ দিনের উত্থান; শুল্ক ও Fed-কে ঘিরে উদ্বেগের মধ্যে মার্কিন ডলারের দর কমেছে

বাণিজ্য ও রাজনৈতিক ঝুঁকিতে বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ববাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন, আর নতুন শুল্কনীতি ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে বৃহস্পতিবারও সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। তিনি রাশিয়াকে ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান, তবে গাজাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইসরায়েলি পরিকল্পনা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেন। এ পরিকল্পনা আরও রক্তপাত ঘটাতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন, যদিও ওই অঞ্চলে মানবিক সহায়তা মাত্রই আবার শুরু হয়েছে। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়া ও ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমালোচনাও অব্যাহত রাখেন এবং পরোক্ষভাবে রাশিয়াকেও সতর্ক করেন।

এই উত্তেজনা সত্ত্বেও, মার্কিন ডলারের দর কমেছে এবং প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের নেতৃত্বে ওয়াল স্ট্রিটের সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে লেনদেন শেষ করেছে। ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা Apple Inc.-এর পণ্যগুলো শুল্কছাড় পাওয়ার পর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দ্রুত বেড়েছে। এর আগে Apple 100 বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল, যা তাদের পূর্বঘোষিত 500 বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতির অতিরিক্ত। একইভাবে, চিপ ও সেমিকন্ডাক্টরের ওপর মার্কিন শুল্ক থেকে ছাড় আদায় করেছে তাইওয়ান। এতে প্রযুক্তি খাতের শেয়ার চাঙা হয়েছে এবং এশিয়ার বাজারগুলোও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। রাশিয়া থেকে ভারতের অব্যাহত তেল আমদানির জবাবে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক 25% থেকে বাড়িয়ে 50% করলেও এসব ঘটনা ঘটেছে।

মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে, Minneapolis Fed-এর প্রেসিডেন্ট Neel Kashkari, San Francisco Fed-এর প্রেসিডেন্ট Mary Daly, Boston Fed-এর প্রেসিডেন্ট Susan Collins এবং Federal Reserve-এর গভর্নর Lisa D. Cook-এর ডোভিশ মন্তব্যে ঝুঁকি এড়ানোর মনোভাব কমেছে। তাঁদের বক্তব্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের ডেটা সেপ্টেম্বরে 0.25% সুদের হার কমানোর বাজার-প্রত্যাশা জোরদার করেছে। 2025 সালে আরও দুবার সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা রয়েছে। তবে Federal Reserve-এর চেয়ার Jerome Powell জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত ডেটার ওপর নির্ভর করবে। FOMC-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও তিনি এ কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাণিজ্যসংক্রান্ত খবরে, ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি চীন ও জাপানের ওপর থেকে কিছু শুল্ক তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এবং সুনির্দিষ্ট শর্ত এখনও আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চীনের ওপর আরও শুল্ক আরোপের ঝুঁকিকে খাটো করে দেখলেও জাপানের বিষয়ে কিছু বলেননি। এদিকে, হোয়াইট হাউসের National Economic Council-এর পরিচালক কেভিন হ্যাসেট উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া ভারতকে তার পণ্য—বিশেষত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে—রপ্তানির জন্য একটি “চাপমুক্তির পথ” হিসেবে দেখে।

ট্রাম্প আরও বলেছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে এটি সরাসরি বৈঠক হবে, নাকি ভার্চুয়াল কল—হোয়াইট হাউস এখনো তা নিশ্চিত করেনি।

জ্বালানি বাজারে, যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ক্রুড অয়েল মজুত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে, তবে এতে তেলের দাম বাড়েনি। চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ এবং OPEC+-এর উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাব ভূরাজনৈতিক কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে, ভারত থেকে চাহিদা বাড়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির সুবিধা পাওয়ার আশায় সৌদি আরব এশিয়ার জন্য তেলের দাম বাড়িয়েছে।

অর্থনৈতিক তথ্যে দেখা গেছে, জুনে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, চীনের জুলাই মাসের রপ্তানি (মার্কিন ডলারে) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় 7.2% বেড়েছে, যা 5.4% পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে, মার্কিন ডলার সূচক (DXY) চাপে রয়েছে। টানা দুই দিনের দরবৃদ্ধির পর এটি এক সপ্তাহের সর্বনিম্নে নেমেছে। এতে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও রাজনৈতিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও প্রধান মুদ্রা এবং অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড ডলার (AUD, NZD) বেড়েছে। পণ্যের বাজারে মিশ্র লেনদেন হয়েছে, আর শেয়ারদর ও বন্ডের ইল্ড সামান্য বেড়েছে। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সির দর সামান্য কমেছে এবং সাপ্তাহিক সীমার মধ্যেই রয়েছে। দুর্বল ডলার কিংবা এই খাতের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থনমূলক অবস্থান—কোনোটিরই সুবিধা নিতে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো হিমশিম খেয়েছে।

EURUSD-এর টানা তিন দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা, USDJPY চাপে

মার্কিন ডলারের দুর্বলতা, ইউরোজোনের শক্তিশালী খুচরা বিক্রয় এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে ট্রাম্পের EU শুল্ক 30% থেকে কমিয়ে 15% করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা—এসব EURUSD-কে সমর্থন দিয়েছে। ফলে টানা তৃতীয় দিনের মতো পেয়ারটি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে এবং সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি আছে।

এদিকে, সাম্প্রতিক দরপতনের পরও USDJPY চাপের মধ্যে রয়েছে, যদিও এর নিম্নমুখী গতি কমছে। জাপানের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং Tokyo-র ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন শুল্ক নিয়ে উদ্বেগের কারণে USD দুর্বল হলেও এই পেয়ারটি তাতে লাভবান হচ্ছে না। পাশাপাশি, Bank of Japan-এর (BoJ) সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং Federal Reserve-এর সুদহার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে মিশ্র প্রত্যাশা, সেই সঙ্গে জাপানের জুন মাসের Coincident Index ও Leading Economic Index-এর ইতিবাচক ফল—সব মিলিয়ে পেয়ারটির ওপর চাপ তৈরি করছে। তবে বাজারের উদ্বেগ আরও দরপতন সীমিত করছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

BoE-র সুদের হার কমানোর আগে GBPUSD সতর্ক অবস্থানে

টানা 5 দিন বেড়ে GBPUSD 1 সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বড় কোনো অগ্রগতি নেই, আর আজকের নীতিগত সিদ্ধান্তে Bank of England (BoE) সুদের হার 0.25% কমাবে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্রেডাররা BoE-এর নরম অবস্থানের জন্য প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে। “Super Thursday”-তে প্রকাশিত অর্থনৈতিক পূর্বাভাসও হতাশাজনক হতে পারে। তা সত্ত্বেও, মার্কিন ডলারের দুর্বলতাই পাউন্ডের শক্তির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে রয়েছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও GBPUSD স্থিতিশীল রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডলার দুর্বল হওয়ায় অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড ডলারও সুবিধা পাচ্ছে

দুর্বল মার্কিন ডলার, প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অস্ট্রেলিয়ার জুনের বাণিজ্য-সংক্রান্ত তথ্য এবং চীনের জুলাইয়ের ইতিবাচক বাণিজ্য পরিসংখ্যানের সহায়তায় AUDUSD টানা তৃতীয় দিনের মতো বেড়ে সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বড় কোনো অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক তথ্য না থাকলেও NZDUSD টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে এবং সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরীক্ষা করেছে।

এদিকে, দুর্বল ক্রুড অয়েলের দাম উপেক্ষা করে USDCAD টানা পঞ্চম সেশনে নেমেছে। দুর্বল USD, যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য চুক্তির আশা এবং শুক্রবার প্রকাশিতব্য কানাডার কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের প্রত্যাশা কানাডিয়ান ডলারকে সাপোর্ট দিয়েছে।

সোনার দর সামান্য বাড়ছে, ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ক্রুড অয়েলের

দুর্বল মার্কিন ডলারের সমর্থনে সোনা সাপ্তাহিক রেঞ্জের মধ্যে সামান্য লাভ ধরে রেখেছে। তবে চীনে চাহিদা নিয়ে উদ্বেগের কারণে আরও বাড়তে পারছে না। শেয়ারবাজার ও বন্ডের ইল্ড বাড়তে থাকায় সোনা শক্তিশালী নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করতেও পারছে না।

এদিকে, দুই মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকা WTI ক্রুড অয়েলের দামে সামান্য উত্থান হয়েছে, ফলে টানা পাঁচ দিনের পতন থেমেছে। ট্রেডাররা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন এবং রাশিয়া, ইসরায়েল, গাজা ও ইরান-সংশ্লিষ্ট সরবরাহ ঝুঁকির দিকে নজর রাখছেন—এ সময়েই এই পুনরুদ্ধার দেখা গেছে। তবে Trump-এর শুল্ক-সংক্রান্ত কারণে চাহিদা কমার আশঙ্কা এবং OPEC+–এর সরবরাহ বৃদ্ধি দামের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ক্রুড অয়েলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে কমেছে, কিন্তু তাতে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি।

ক্রিপ্টোকারেন্সির গতি এখনও মন্থর

U.S. Dollar দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও, সামগ্রিক বাজারের অনিশ্চয়তা, ক্রিপ্টো ETF-এ তহবিল প্রবাহ কমে যাওয়া এবং টেকনিক্যাল ব্রেকডাউনের চাপে বৃহস্পতিবারের শুরুর দিকে Bitcoin (BTC) ও Ethereum (ETH)-এর দাম সামান্য কমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়ক পদক্ষেপের পরও দরপতন হয়েছে। বুধবার, U.S. Commodity Futures Trading Commission (CFTC) লিকুইড স্টেকিং অনুমোদন করেছে এবং স্পষ্ট করেছে যে এটিকে সিকিউরিটি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে না। এতে ক্রিপ্টো-সমর্থক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আশাবাদ বেড়েছে—তবে ঝুঁকি এড়ানোর মনোভাবের মধ্যে দাম বাড়ানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ ওঠানামা

  • দুই মাসের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে ঘুরে WTI ক্রুড অয়েলের দাম প্রেস টাইমে $64.70-এ উঠেছে, আর এতে টানা পাঁচ দিনের দরপতনের ধারায় বিরতি এসেছে।
  • সোনার দাম 3,375 ডলারের কাছাকাছি সামান্য ঊর্ধ্বমুখী, তবে সাপ্তাহিক ট্রেডিং রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে।
  • আগের দিনের পতন বাড়িয়ে US Dollar Index (DXY) এখন 98.10-এ নেমেছে, যা এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন।
  • ওয়াল স্ট্রিট ইতিবাচক অবস্থানে লেনদেন শেষ করেছে, আর সম্প্রতি স্টক ফিউচার সামান্য বেড়েছে। তবে এশিয়া-প্যাসিফিকের শেয়ারবাজার নিম্নমুখী। লেনদেনের শুরুর ঘণ্টায় ইউরোপ ও ব্রিটেনের শেয়ারবাজারের দিকও অনিশ্চিত মনে হচ্ছে।
  • লেখার সময় Bitcoin-এর দাম প্রায় $114,500-এ সামান্য কমেছে, তবে Ethereum প্রায় $3,685-এ দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

BoE, যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ও ঝুঁকি-সংক্রান্ত খবরের দিকে নজর…

তথ্যের পরিমাণ কম থাকলেও ব্যস্ত বুধবারের পর, বৃহস্পতিবার বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে Bank of England-এর প্রত্যাশিত 0.25% সুদের হার কমানো, যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার দাবি এবং কর্মসংস্থান ব্যয় ও মজুরির তথ্য। ফেড কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং কানাডার Ivey PMI-ও আলোচনায় আসবে।

এদিকে, রাশিয়া, ইউক্রেন, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, ভারত ও ইরানকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের বক্তব্যের দিকেও নজর রয়েছে।

ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ কমে গেলে USD ঘুরে দাঁড়াতে পারে, ফলে GBPUSD, সোনা এবং শেয়ারের ওপর চাপ পড়তে পারে। এদিকে বন্ডের ইল্ড কমতে পারে এবং ক্রিপ্টোর দর একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, বৃহস্পতিবার বাজারের মোড় ঘোরানোর দিন হতে পারে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ডেটা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মুদ্রা, কমোডিটি এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

শীর্ষস্থানীয় অ্যাসেটগুলোর পূর্বাভাস

  • বুলিশ মুভের প্রত্যাশা: USDCAD, USDJPY
  • আরও দরপতনের সম্ভাবনা: USDCHF, সোনা
  • দর স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা: Nasdaq, DJI30, USDCNH, AUDUSD, NZDUSD, GBPUSD, মার্কিন ডলার, BTCUSD, ETHUSD, অপরিশোধিত তেল
  • ধীর ও ধাপে ধাপে দরপতনের সম্ভাবনা: DAX, FTSE 100, EURUSD

ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!