লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য Correlation-এর ব্যাখ্যা

ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিংয়ের প্রেক্ষাপটে, Correlation বলতে বিভিন্ন অ্যাসেটের দাম একে অপরের তুলনায় কীভাবে ওঠানামা করে তা বোঝায়। এটি মূলত কারেন্সি পেয়ার ট্রেড করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। Correlation মুদ্রার একটি নির্দিষ্ট আচরণ তুলে ধরে এবং ট্রেডারদের বুঝতে সাহায্য করে, দাম একই দিকে নাকি ভিন্ন দিকে যাচ্ছে।

None

এ ছাড়া, টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের অংশ হিসেবে পূর্বাভাস দিতে এবং অ্যাসেটের ঐতিহাসিক তথ্য তুলনা ও বিশ্লেষণ করতে একজন ট্রেডার কোরিলেশনকে নির্দিষ্ট একটি টুল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে বাজার সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা যায়।

কোরিলেশন বলতে কী বোঝায়?

কোরিলেশনের মাত্রা শতাংশের হিসাবে পরিমাপ করা যায়। সাধারণত, ট্রেডাররা -100% থেকে 100% পর্যন্ত কোরিলেশন সহগ বা স্কেল ব্যবহার করেন। কোনো নির্দিষ্ট অ্যাসেটের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে সাধারণত এই মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

উদাহরণ:

  1. ধরা যাক, দুটি অ্যাসেটের কোরিলেশনের মাত্রা একই, অর্থাৎ 50%। এর মানে হলো, অতীতে দাম যে দিকেই যাক না কেন, অর্ধেক সময়ে সাধারণত দুটি অ্যাসেটের দাম একই দিকে গেছে।
  2. একইভাবে, শতাংশের হার 70% হলে, ঐতিহাসিক তথ্য থেকে বোঝা যায় যে অ্যাসেটগুলোর দাম অন্তত 70% সময় বিপরীত দিকে গেছে।
  3. শূন্য কোরিলেশন বোঝায়, দুটি অ্যাসেটের মধ্যে কোনো কোরিলেশন নেই। অন্যভাবে বললে, একটি অ্যাসেটের দাম অন্যটির দামকে প্রভাবিত না করেই পরিবর্তিত হয়।
ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

কোরিলেশন কোনো চূড়ান্ত নিয়ম নয়। সময়ের সঙ্গে দামের দিক এবং ঐতিহাসিক তথ্য—দুটিই বদলাতে পারে। কোনো ট্রেড করা অ্যাসেট কিছু সময়ের জন্য উচ্চ কোরিলেশন দেখালেও, পরের বছর পরিস্থিতি বদলে ঋণাত্মক বা এমনকি শূন্য কোরিলেশন দেখা দিতে পারে। তাই কোরিলেশন বলতে কী বোঝায়, তা জানার পাশাপাশি এর প্রধান ধরনগুলোও বোঝা জরুরি।

কোরিলেশনের প্রধান ধরনগুলো

ট্রেডাররা সাধারণত কোরিলেশনের তিনটি প্রধান ধরন উল্লেখ করেন: শূন্য, ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কোরিলেশন।

  • ধনাত্মক কোরিলেশন বোঝায়, দুটি অ্যাসেটের দাম একই দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে এই কোরিলেশন দুর্বল বা শক্তিশালী হতে পারে।
  • একটি অ্যাসেটের দাম কমার সময় অন্যটির দাম বাড়লে ঋণাত্মক কোরিলেশন দেখা যায়।
  • শূন্য কোরিলেশন বোঝায়, দুটি অ্যাসেটের মধ্যে কোনো ধরনের কোরিলেশন নেই।

বিনিয়োগকারীদের জন্য কোরিলেশনের গুরুত্ব

আর্থিক বাজার ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোরিলেশন ব্যবহার করা হয় কেন? এর মূল উদ্দেশ্য হলো কম অস্থিরতাসহ বৈচিত্র্যময় একটি পোর্টফোলিও তৈরি করা। অন্যভাবে বললে, বিনিয়োগকারীরা ধনাত্মক ও ঋণাত্মক—দুই ধরনের কোরিলেশন রয়েছে এমন বিভিন্ন অ্যাসেট নিয়ে পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনেন। দীর্ঘমেয়াদে পোর্টফোলিওর অস্থিরতা কমানো এবং ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি হ্রাস করার এটি অন্যতম সেরা উপায়।

এ ছাড়া, একজন ট্রেডার আরও বেশি নমনীয়তা এবং কিছুটা আগ্রাসীভাবে ট্রেড করার সুযোগ পেতে পারেন। সহজভাবে বললে, বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও কিছুটা অস্থিরতা মেনে নেওয়ার সুযোগ দেয়, যাতে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বেশি রিটার্নের সম্ভাবনাযুক্ত অ্যাসেটে আপনি আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। ঋণাত্মক ও ধনাত্মক কোরিলেশনযুক্ত ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্টের সমন্বয়কে পোর্টফোলিও অপ্টিমাইজেশনের কৌশলও বলা হয়।

কোরিলেশনভিত্তিক কৌশল ব্যবহারের সময় ঝুঁকি কীভাবে সামলাবেন

ট্রেডিংয়ের ধরন যাই হোক না কেন, প্রত্যেক ট্রেডারেরই বিভিন্ন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কৌশল ব্যবহার করা উচিত। এতে বিচক্ষণ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে এবং সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে সাহায্য হয়। ট্রেডিংয়ে কোরিলেশন ব্যবহার করার সময় ঝুঁকি সামলানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ধনাত্মক কোরিলেশনযুক্ত ইনস্ট্রুমেন্টে বিনিয়োগ করা। এতে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি সামগ্রিক রিটার্নও বাড়ে। কোরিলেশনের মাত্রা দুর্বল হলে, সব বিষয় পর্যালোচনা করুন এবং কোরিলেশন আরও খারাপ হলে বাজার থেকে বেরিয়ে আসুন।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।