
RBA বাজারকে চমকে দিয়ে সুদের হার 0.25% বাড়িয়েছে। যেখানে বর্তমান মুদ্রানীতিতে কোনো পরিবর্তন হবে না বলে প্রত্যাশা ছিল, সেখানে এই সিদ্ধান্তের ফলে AUDUSD 13 দিনের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক উত্থান দেখিয়েছে। IMF-এর খবরে চীন ও ভারতের নেতৃত্বে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ান ডলারের এই জুটির ঊর্ধ্বমুখী গতি আরও জোরালো হয়েছে।
তা সত্ত্বেও, JP Morgan সমস্যায় থাকা মার্কিন ব্যাংকটির সম্পদ অধিগ্রহণের পর First Republic নিয়ে উদ্বেগ কমায় বাজারে সতর্ক আশাবাদ বজায় রয়েছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক মিশ্র অর্থনৈতিক তথ্য এবং সপ্তাহজুড়ে প্রকাশিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আগে বাজারের একীভূত অবস্থাও ইতিবাচক মনোভাবকে সমর্থন করেছে। এর ফলে মার্কিন ডলার ও বন্ডের ইল্ডের ওপর চাপ পড়ছে।
RBNZ-এর কড়া অবস্থানের মন্তব্যের মধ্যে মার্কিন ডলারের দুর্বলতায় NZDUSD দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, BoJ-কে ঘিরে নরম নীতির প্রত্যাশায় USDJPY সামান্য বেড়ে বিপরীত পথে চলেছে। এদিকে, ইউরোজোনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে EURUSD বেড়েছে। সোনার দাম স্থির থাকলেও চীন নিয়ে উদ্বেগ এবং দুর্বল মার্কিন ডলারের কারণে ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে।
তবে, নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত আশঙ্কা ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আগের উদ্বেগের মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের সামান্য ইতিবাচক মনোভাবকে আরও চাঙা করতে পারছে না; একইভাবে মার্কিন ডলারও পারছে না।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



মঙ্গলবার ভোরে RBA মূল্যস্ফীতির দুর্বল পরিসংখ্যান এবং কর্মসংস্থানের নিম্নগতির তথ্য উপেক্ষা করে AUDUSD-তে দুর্দান্ত র্যালির সূচনা করেছে। IMF-এর বিশ্লেষণসমর্থিত শিরোনামগুলোতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিবাচক হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা এই ঊর্ধ্বগতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা, মিশ্র মার্কিন তথ্য এবং ইভেন্টের আগে বাজারের একীভূত অবস্থান—সব মিলিয়ে US Dollar-এর ক্রেতারা উৎসাহিত হয়েছেন।
দিনের শুরুতে উল্লেখযোগ্য বাজার-চলাচল দেখা যাওয়ার পর, ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতি ও মার্কিন কারখানার অর্ডারের প্রাথমিক হিসাব প্রকাশের আগে বাজারের অংশগ্রহণকারীরা সতর্ক অবস্থান নিতে পারেন। এ ছাড়া, মার্কিন ঋণসীমা ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টিও বাজারের অংশগ্রহণকারীদের নজর কাড়তে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!