
জুনের পর থেকে ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার ট্রেডারদের মধ্যে এতটা ভয় দেখা যায়নি। সম্ভাব্য মুদ্রাসংকট, সুদের হার বৃদ্ধি এবং মন্দার আশঙ্কা শেয়ারবাজারের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।
VIX নামেও পরিচিত Cboe Volatility Index শেয়ারবাজারে ভয় ও চাপের মাত্রা বোঝাতে এবং S&P 500-এর অপশনের দাম পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়। সোমবার সূচকটি সম্প্রতি 3 পয়েন্টে উঠে পৌঁছেছে, যা জুনের পর সর্বোচ্চ—সেই সময় বাজার দরপতনের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।
মুদ্রাবাজারের অস্থিরতাও এই পরিস্থিতির একটি কারণ। এতে USD বেড়ে 20 বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে FED-এর আগ্রাসী হারে সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি মাথায় রেখে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এর ফলে মন্দা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



দুটি প্রধান সূচকই নতুন সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। DJIA-এর ক্লোজিং প্রাইস 30,000-এর নিচে ছিল, যা জুনের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে S&P 500-এর দরপতনের ধারাবাহিকতা চলছে—টানা পঞ্চম সপ্তাহে 4.65% কমেছে।
আজ বিনিয়োগকারীদের ভয় চরম পর্যায়ে। মনে হচ্ছে শেয়ারবাজার একটি মোড় ঘোরানো অবস্থার কাছাকাছি। এ পরিস্থিতিতে ট্রেডাররা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ ইন্সট্রুমেন্ট খুঁজতে পারেন। সোনা আরও স্থিতিশীল বিকল্প হতে পারে।
বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বণ্টনে সোনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে। পাশাপাশি, পোর্টফোলিও সুসংগঠিত ও বৈচিত্র্যময় রাখতেও সোনা একটি ভালো সম্পদ।