লগ আউট
Are you sure you want to exist?
MTrading • আজ

USD শক্তিশালী হওয়া এবং মিশ্র বাজার মনোভাবের মধ্যে GBPUSD-এর গতি কমেছে

USD শক্তিশালী হওয়া এবং মিশ্র বাজার মনোভাবের মধ্যে GBPUSD-এর গতি কমেছে

ঝুঁকির ধরন এখনো স্পষ্ট নয়…

মঙ্গলবারের শুরুর দিকে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, আগের দিনের সতর্ক আশাবাদ ম্লান হয়ে যায়। মার্কিন নীতিনির্ধারকেরা সরকারি কার্যক্রম বন্ধের সমস্যা মেটাতে না পারায়, পাশাপাশি ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে চলমান সমস্যা এবং জাপান ও ইউরোপের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বাজারের মনোভাব চাপে পড়ে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের (Fed) কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য, আসন্ন মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য নিয়ে উদ্বেগ এবং চীনের “গোল্ডেন উইক” ছুটিও অনিশ্চয়তা বাড়ায়। ফলে ট্রেডিং কার্যক্রম মন্থর থাকে এবং প্রধান কারেন্সি পেয়ারগুলো সংকীর্ণ রেঞ্জে লেনদেন হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তা Jeff Schmid বলেছেন, দেশটির মুদ্রানীতি এখনও কিছুটা কঠোর; মূল্যস্ফীতি এখনও বেশি এবং আরও অনেক পণ্যের দাম বাড়ছে। তিনি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতি আবার বাড়িয়ে দিতে পারে—এমন অতিরিক্ত আগ্রাসী চাহিদা-উদ্দীপক নীতি এড়ানোর কথাও বলেছেন। Schmid আরও উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক শুল্কের কারণে মূল্যস্ফীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।

অন্যান্য খবরে, প্রেসিডেন্ট Donald Trump সব মাঝারি ও ভারী ট্রাকের ওপর 25% শুল্কের ঘোষণা দিয়েছেন এবং Ambler Road খনিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রেসিডেন্ট Joe Biden-এর আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন। ইউক্রেনকে Tomahawk ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়েও Trump মন্তব্য করেছেন, তবে সেগুলো কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট সরকার পুনরায় চালু করার জন্য ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত বিলটি পঞ্চমবারের মতো প্রত্যাখ্যান করেছে। সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার মেয়াদ শেষ হতে চলা স্বাস্থ্যবিমা ভর্তুকি নিয়ে দ্বিদলীয় আলোচনার বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি নাকচ করে বলেছেন, এমন কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ, যিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ, ট্রাম্প প্রশাসনের “লিবারেশন ডে” শুল্কের সমালোচনা করেছেন। গোপীনাথ বলেছেন, এই শুল্ক থেকে মার্কিন সরকারের রাজস্ব এলেও এর বোঝা মূলত মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ওপর পড়েছে। ফলে এগুলো প্রবৃদ্ধির কৌশলের চেয়ে করের মতোই কাজ করেছে।

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দ বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি প্রায় 2%-এ স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রবৃদ্ধির ঝুঁকিগুলো এখন আরও ভারসাম্যপূর্ণ—বাণিজ্য উত্তেজনা নিম্নমুখী ঝুঁকি তৈরি করছে, আর সম্ভাব্য সংস্কার ও ব্যয় প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে। নীতিগত সিদ্ধান্ত তথ্যনির্ভর থাকবে এবং সুদের হারের নির্দিষ্ট পথের বিষয়ে আগাম কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে না। স্পেনের ব্যাংকের গভর্নর লুইস এসক্রিভাও একমত হয়েছেন যে অনিশ্চয়তা থাকলেও ঝুঁকিগুলো বাস্তবায়িত হয়নি; তিনি তৃতীয় প্রান্তিকে ভালো ফল আশা করছেন।

ইউরোপেও, সদ্য নিযুক্ত ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এতে ইউরোপে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, ইউরোর দর বেড়েছে এবং মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছে।

জাপানে, ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDP) সানায়ে তাকাইচিকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার পর জাপানি ইয়েনের (JPY) দর তীব্রভাবে কমে যায়। এতে আগ্রাসী মুদ্রানীতি শিথিলকরণ এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। জাপানের আগস্ট মাসের পারিবারিক ব্যয় 2.3% বেড়েছে, যা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।

যুক্তরাজ্যে, Bank of England (BoE)-এর গভর্নর Andrew Bailey Artificial Intelligence (AI) ব্যবহারে বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন। Bailey পেমেন্ট ব্যবস্থার জন্য stablecoin-কে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন হিসেবেও স্বীকৃতি দিয়েছেন, তবে তা হতে হবে এমন, যাতে জনগণের আস্থা অর্জনের শর্ত পূরণ হয় এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমে।

অস্ট্রেলিয়ায়, জেদি মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের পর ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার কারণে ভোক্তা আস্থা ছয় মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। সেপ্টেম্বরে চাকরির বিজ্ঞাপন 3.3% কমেছে, যা নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রেখেছে। এদিকে, নিউজিল্যান্ডে তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যবসায়িক আস্থা কমেছে। এতে কারিগরি মন্দার ঝুঁকির ইঙ্গিত মিলেছে এবং Reserve Bank of New Zealand (RBNZ) আরও সুদের হার কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আগামীকালের RBNZ বৈঠকে 25 বেসিস পয়েন্ট সুদের হার কমানো হবে বলে ব্যাপকভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কানাডায় কর্মকর্তারা মঙ্গলবারের বাণিজ্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাতের শুল্ক কমানোর বিষয়ে আলোচনা করছেন। এদিকে, চীনের সোনা কেনা টানা 11তম মাসেও অব্যাহত রয়েছে। পিপলস ব্যাংক অব চায়না (PBOC) সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ সোনার মজুত সামান্য বাড়িয়ে 74.06 মিলিয়ন ফাইন ট্রয় আউন্স করেছে, যা আগস্টে ছিল 74.02 মিলিয়ন। চীন সোনার মজুত বাড়িয়ে 5,000 টনের কাছাকাছি নিতে চায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পর দেশটি হবে সোনার দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি মজুতদার।

শেয়ারবাজারে, ডেটা সেন্টার তৈরির জন্য OpenAI-এর সঙ্গে চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর Advanced Micro Devices (AMD)-এর শেয়ারের দাম 23% বেড়েছে। এই চুক্তির ফলে OpenAI চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির 10% মালিকানা পেতে পারে। নতুন গাড়ির মডেল উন্মোচনের অনুষ্ঠান 7 নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে—এ ঘোষণার পর Tesla (TSLA)-এর শেয়ারের দামও 5.5% বেড়েছে। S&P 500 ও NASDAQ—দুই সূচকই রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, আর AMD-র উত্থান NASDAQ-এর বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে, স্টেবলকয়েন নিয়ে বেইলির মন্তব্য এবং জনসাধারণের আস্থা ও পেমেন্টে উদ্ভাবন বাড়ানোর সম্ভাবনাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছে। এদিকে, সপ্তাহের শুরুতে হওয়া লাভ ধরে রেখেছে U.S. Dollar Index (DXY), অন্যদিকে EUR, JPY ও AUD-এর মতো প্রধান মুদ্রাগুলো কিছুটা পিছিয়েছে। শেয়ার ও ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের দাম সামান্য বেড়েছে। টানা ষষ্ঠ দিনের মতো শক্ত অবস্থানে থেকে সোনা সর্বকালের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। তবে অতিরিক্ত কেনাকাটার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সম্ভাব্য দর সংশোধনের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

EURUSD-এর আরও পতন, USDJPY-এর উত্থান অব্যাহত

ফ্রান্সের রাজনৈতিক টানাপোড়েন, ECB কর্মকর্তাদের মিশ্র মন্তব্য এবং মার্কিন ডলারের ঘুরে দাঁড়ানোর কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতন হচ্ছে, যদিও বেশিরভাগ অনুঘটকই নেতিবাচক। তবে ইউরো পেয়ারটির দরপতনের গতি জোরালো নয়। বাজারে অনিশ্চয়তা রয়েছে; যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য কোনো ডেটা নেই এবং সরকার পুনরায় চালুর অগ্রগতিও স্পষ্ট নয়।

এদিকে, USDJPY নতুন করে 9 সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। আগের দিন 2.0% বেড়ে যাওয়ার পর টানা দ্বিতীয় দিনও এর ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীকে ডোভিশ বলে মনে করা হচ্ছে; তিনি Bank of Japan-এর (BoJ) সুদের হার বাড়ানোর পরিকল্পনা থামিয়ে দিতে পারেন—এমন ধারণার কারণে পেয়ারটি শক্তিশালী হয়েছে। পরিবারের ব্যয় ও অর্থনৈতিক সূচকসহ জাপানের মিশ্র ডেটাও ইয়েনের ওঠানামায় ভূমিকা রেখেছে।

GBPUSD-এর টানা দুই দিনের দরবৃদ্ধির ধারা থামল

GBPUSD সামান্য কমে 1.3400-এর মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও মিশ্র বাজার-মনোভাবের কারণে জোড়াটির ওপর চাপ রয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার Jerome Powell-এর বক্তব্যের আগে ট্রেডাররা নিজেদের পজিশন নিচ্ছেন, দুর্বলতার কারণ হতে পারে এটি। এ ছাড়া, Bank of England (BoE)-এর গভর্নর Andrew Bailey এবং নীতিনির্ধারক Catherine Mann-এর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকেও তেমন আশাবাদ মেলেনি। নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হতে যাওয়া যুক্তরাজ্যের শরৎকালীন বাজেট নিয়েও ট্রেডাররা সতর্ক। বাজেটটি ব্রিটিশ জনসাধারণকে হতাশ করতে পারে এবং সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়াতে পারে—এমন উদ্বেগ রয়েছে। তবে আপাতত, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য—দুই দেশ থেকেই বড় কোনো অনুঘটক না থাকায় GBPUSD জোড়ায় তীব্র পতন ঠেকেছে।

অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলোতে দরপতনের চাপ

যুক্তরাষ্ট্রের ডলার শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও, বাজারের সতর্ক আশাবাদের কারণে গত দুই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD), নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD) এবং কানাডিয়ান ডলার (CAD) বেড়েছে। তবে মঙ্গলবারের শুরুর দিকে AUDUSD ও NZDUSD—দুটিই পিছিয়েছে, আর USDCAD ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় দুর্বল ভোক্তা আস্থা, নিউজিল্যান্ডে ব্যবসায়িক আস্থার অবনতি এবং বুধবার রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের (RBNZ) সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা—এসব কারণে AUD ও NZD-এর দর কমেছে। এদিকে, ওয়াশিংটনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য আলোচনা ঘিরে সতর্ক মনোভাবও এতে ভূমিকা রেখেছে। তা সত্ত্বেও, কানাডার গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য ক্রুড অয়েলের দামে পুনরুদ্ধার হলেও USDCAD তাতে সাড়া দেয়নি।

ক্রুড অয়েলের লাভ ধরে রাখা, সোনার আরও উজ্জ্বলতা

ক্রুড অয়েল দুই দিনের পুনরুদ্ধারের পর থেকে মোটের ওপর স্থির রয়েছে। প্রত্যাশার চেয়ে কম OPEC+ সরবরাহ বৃদ্ধি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং গাজা সংঘাতে অগ্রগতির অভাব দরকে সমর্থন জুগিয়েছে।

এদিকে, চীনে টানা 11তম মাসে সোনা কেনা, বাজারে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা এবং Fed-এর নরম অবস্থান সোনার দামকে সমর্থন দিচ্ছে। এর ফলে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো দাম নতুন রেকর্ড উচ্চতায় উঠে $3,970-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে, টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী সোনা অতিরিক্ত কেনা হয়ে থাকতে পারে। এতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে দামে স্বাভাবিক সংশোধন ও স্থিতিশীলতা আসতে পারে, যা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।

ক্রিপ্টো ও শেয়ারের দাম সামান্য বাড়ল

ক্রিপ্টোকারেন্সি শক্তিশালী U.S. Dollar থাকা সত্ত্বেও কিছুটা বাড়ছে। বাজারের মনোভাব দুর্বল হলেও ডিজিটাল অ্যাসেটের প্রতি আস্থা বাড়ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ও বৈশ্বিক করপোরেশনগুলোর ক্রিপ্টো খাতের প্রবৃদ্ধির প্রতি সমর্থন এতে ভূমিকা রাখছে। তবে, নতুন সর্বকালের সর্বোচ্চ (ATH) স্তরে পৌঁছানোর পর বিটকয়েনের (BTC) টানা ছয় দিনের ঊর্ধ্বগতি থেমেছে এবং দাম সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। অন্যদিকে, ইথেরিয়াম (ETH) ধীরে ধীরে বাড়ছে।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের শেয়ারবাজারে মিশ্র লেনদেন চলছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের গতিবিধির প্রতিফলন। বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ঘটনা, বাণিজ্য-সম্পর্কিত খবর এবং চলমান মার্কিন সরকারি শাটডাউন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বাজারে সতর্ক মনোভাব দেখা যাচ্ছে।

প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ ওঠানামা

  • WTI অপরিশোধিত তেলের দাম চার মাসের সর্বনিম্ন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবণতা ধরে রেখেছে। তবে লেখার সময় $61.90-এর কাছাকাছি ঊর্ধ্বমুখী গতি নেই।
  • সোনা গত সপ্তাহে রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে পৌঁছানোর পর এখন $3,960-65-এর আশপাশে ওঠানামা করছে।
  • মার্কিন ডলার সূচক (DXY) সপ্তাহের শুরুতে হওয়া দরবৃদ্ধি ধরে রেখে প্রেস টাইমে প্রায় 98.30-এ রয়েছে।
  • ওয়াল স্ট্রিট মিশ্র অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে। দিনের শুরুটাও ছিল মিশ্র। ডাও জোন্স সামান্য কমেছে, তবে S&P 500 এবং Nasdaq সর্বকালের সর্বোচ্চে (ATH) পৌঁছেছে। এদিকে, এশিয়া-প্যাসিফিকের শেয়ারবাজারে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইউরোপ ও ব্রিটেনের শেয়ারবাজারে প্রাথমিক ট্রেডিং সময়ে স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
  • Bitcoin আগের দিন $126K ছাড়িয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ দরে (ATH) পৌঁছানোর পর এখন $124,500-এর আশেপাশে স্থির রয়েছে। সোমবার তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ দরে পৌঁছানোর পর Ethereum সামান্য ইতিবাচক অবস্থায় $4,720-এর কাছাকাছি রয়েছে।

সামনে আরও একটি অনিশ্চিত দিন…

সামনে বাজারে আরও এক দিন অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে কম তথ্য এবং জমে থাকা মার্কিন তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি বাণিজ্য ও রাজনীতি নিয়ে মিশ্র খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। নজরে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সরকারের শাটডাউন, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত, ইসরায়েল-হামাস পরিস্থিতি এবং Trump-এর শুল্ক নিয়ে অগ্রগতি। এ ছাড়া, কয়েকজন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা বক্তব্য দেবেন, যা বাজারে নড়াচড়া ঘটাতে পারে।

গতি সম্ভবত মন্থরই থাকবে। মার্কিন ডলার তার পুনরুদ্ধার ধরে রাখতে পারে, যা GBPUSD-সহ প্রধান মুদ্রাগুলোর ওপর আরও নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি বাড়তে থাকা আস্থা, শেয়ারের প্রতি বাড়তি ঝোঁক এবং সোনার দামে সম্ভাব্য পতন নিয়ে উদ্বেগ ট্রেডারদের সতর্ক রাখতে পারে। বাজারের অংশগ্রহণকারীদের জন্য আরও একটি কঠিন সেশন আসছে বলে মনে হচ্ছে! এই অনিশ্চয়তায় বাজার কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে আপনি মনে করেন?

শীর্ষস্থানীয় অ্যাসেটগুলোর পূর্বাভাস

  • দাম বাড়ার সম্ভাবনা: USDCAD, USDJPY
  • আরও দরপতনের সম্ভাবনা: USDCHF, সোনা
  • দর স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা: Nasdaq, DJI30, USDCNH, AUDUSD, NZDUSD, GBPUSD, মার্কিন ডলার, BTCUSD, ETHUSD, অপরিশোধিত তেল
  • ধীর ও ধাপে ধাপে দরপতনের সম্ভাবনা: DAX, FTSE 100, EURUSD

ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!